নামাযের পরের অজিফা

0
42
views

নামাযের পর অজিফা

প্রত্যেক নামাযের পর পাঠ করবেন
১। তাসবীহে ফাতেমী- সহিহ মুসলিমশরীফে হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত একখানা হাদিসে বর্ণিত আছে।
আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন- যে ব্যক্তি প্রত্যেক নামাযের পর
ﺳﺒﺤﺎﻥ ﺍﻟﻠﻪ ৩৩ বার।
ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ ৩৩ বার।
ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻛﺒﺮ ৩৩ বার পাঠ করে, সর্বশেষে
ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺣﺪﻩ ﻻﺷﺮﻳﻚ ﻟﻪ ﻟﻪ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﻭﻟﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻭﻫﻮ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﺷﺊ ﻗﺪﻳﺮ
পাঠ করে একশতবার পূর্ণ করে দিবে তার সমস্ত খাতা বা ত্র“টি বিচ্যুতি মাফ হয়ে যাবে। যদিও তা সাগরের ফেনার পরিমাণ হয়।
২. ফজরের নামাযের পর ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﺍﻟﺤﻖ ﺍﻟﻤﺒﻴﻦ একশত বার
৩. জুহরের নামাযের পর ৫০০ বার অথবা ২৫ বার পাঠ করবেন ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﻧﻌﻢ ﺍﻟﻮﻛﻴﻞ
৪. আসরের নামাযের পর তাসবিহে ফাতেমি পাঠ করবেন। ৩৩বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩বার আলহামদু লিল্লাহ,
৩৩বার আল্লাহু আকবার। একবার-
ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺣﺪﻩ ﻻ ﺷﺮﻳﻚ ﻟﻪ ﻟﻪ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﻭﻟﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻭﻫﻮ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﺷﺊ ﻗﺪﻳﺮ
৫. মাগরিবের নামাযের পর কালেমায়ে তামজিদ পাঠ করবেন পাঁচশত বার ﺳﺒﺤﺎﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺍﻟﺤﻤﺪ ﻟﻠﻪ
৬. এশার নামাযের পর একশতবার যে কোন দরূদশরীফ পাঠ করবেন। অতঃপর প্রত্যেহ এশার নামাযের পরে মদিনা মুনাওয়ারার দিকে মুখ করে আল্লাহর হাবিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুরত মোবারককে ﺣﺎﺿﺮ ও ﻧﺎﻇﺮ ‘হাজির ও নাজির’ ঈমান রেখে আদবের সঙ্গে বসে অথবা দাঁড়িয়ে যে কোন দরূদশরীফ একশতবার পাঠ করবেন। এ আমল অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং বরকতময়। (ফাতাওয়ায়ে আজিজিয়া ১৭২ পৃষ্ঠা)
প্রত্যেক ফরজ নামাযের পর বিশেষ অজিফা
প্রত্যেক ফরয নামাযের সালাম ফিরানোর পরপরই উচ্চ আওয়াজে নিুের দোয়া পাঠ করবেন-
ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺣﺪﻩ ﻻ ﺷﺮﻳﻚ ﻟﻪ ﻟﻪ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﻭﻟﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻭﻫﻮ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﺷﺊ ﻗﺪﻳﺮ ﺍﻟﻠﻬﻢ ﻻ ﻣﺎﻧﻊ ﻟﻤﺎ ﺍﻋﻄﻴﺖ ﻭﻻ ﻣﻌﻄﻰ ﻟﻤﺎ ﻣﻨﻌﺖ ﻭﻻ ﻳﻨﻔﻊ ﺫﺍ ﺍﻟﺠﺪ ﻣﻨﻚ ﺍﻟﺠﺪ –
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়াহুয়া আ’লা কুল্লি শাইয়িন কাদির। আল্লাহুম্মা লা মানিয়া লিমা আ’তাইতা ওয়ালা মু’তিয়া লিমা মানা’তা ওয়ালা ইয়ানফাউ জালজাদ্দে মিনকাল জাদ্দু। (বুখারিশরীফ ১ম জিলদের ১১৬ ও ১১৭ পৃষ্ঠা)
অতঃপর তিন মরতবা দরূদ ও সালাম পাঠ করে দোয়া করে নিবেন-
ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺳﻴﺪﻯ ﻳﺎ ﺭﺳﻮﻝ ﺍﻟﻠﻪ
ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺳﻴﺪﻯ ﻳﺎ ﻧﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ
ﺍﻟﺼﻠﻮﺓ ﻭﺍﻟﺴﻼﻡ ﻋﻠﻴﻚ ﻳﺎ ﺳﻴﺪﻯ ﻳﺎ ﺣﺒﻴﺐ ﺍﻟﻠﻪ
ﻭﻋﻠﻰ ﺍﻟﻪ ﻭﺍﺻﺤﺎﺑﻪ ﻭﺑﺎﺭﻙ ﻭﺳﻠﻢ
(মাদারিজুন নবুয়ত)
১। আয়াতুল কুরসি- ১বার
২। নিম্নের আয়াতে কারীমা- ১বার
ﻭﻣﻦ ﻳﺘﻖ ﺍﻟﻠﻪ ﻳﺠﻌﻞ ﻟﻪ ﻣﺨﺮﺝ ﻭﻳﺮﺯﻗﻪ ﻣﻦ ﺣﻴﺚ ﻻﻳﺤﺘﺴﺐ ﻭﻣﻦ ﻳﺘﻮﻛﻞ ﻋﻠﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻓﻬﻮ ﺣﺴﺒﻪ . ﺍﻥ ﺍﻟﻠﻪ ﺑﺎﻟﻎ ﺍﻣﺮﻩ ﻗﺪ ﺟﻌﻞ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻜﻞ ﺷﺊ ﻗﺪﺭﺍ
উচ্চারণ : ওয়ামাই ইয়াত্তাকিল্লাহা ইয়াজয়াল্লাহু মাখরাজা ওয়া ইয়ার জুখহু মিনহাইসু লা ইয়াহতাসিবু ওয়ামাই ইয়াত্বা ওয়াককাল আলাল্লাহি ফাহুয়া হাসবুহু, ইন্নাল্লাহা বালিগো আমরিহী কাদ জায়ালাল্লাহু লি কুল্লি শাইয়িন ক্বাদরা।
৩। অতঃপর সূরায়ে ফাতেহা ১বার
৪। সূরায়ে এখলাস ৩বার ও সর্বশেষ দরূদশরীফ ৩বার পাঠ করে আকাশের দিকে (উপর দিকে) ফুঁক দিবেন।
উপকারিতা
১. রিজিক বৃদ্ধি পাবে।
২. সাকরাতুল মউত আসান হবে।
৩. কবরে শান্তি পাবে।
৪. মরণের সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহপাক তাকে বেহেশতে দাখিল করবেন।

হযরত আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, হুজুরপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফরমাইয়েছেন-
যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামাযের পরে আয়াতুল কুরসি পাঠ করে, তাকে আল্লাহপাক মরণের সাথে সাথে বেহেশতে প্রবেশ করান। (কানজুল উম্মাল ১ম জিলদের ১৪১ পৃষ্ঠা)
হযরত আয়েশা সিদ্দিকা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হয়ে আরজ করল, ঘরে কোন জিনিসের মধ্যে বরকত হয় না। হুজুর পুরনুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন,
তোমরা কি আয়াতুল কুরসি তেলাওয়াত কর না? যে খাবারের উপর আয়াতুল কুরসি পাঠ করবে আল্লাহতা’য়ালা ইহাতে বরকত প্রদান করবেন। (তাফসিরে দুররে মনসুর ১ম জিল্দ ৩২৩ পৃষ্ঠা)
মাহবুবে খোদা সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয নামাযের পরে আয়াতুল কুরসি ও সূরায়ে এখলাস পাঠ করবে, সে ব্যক্তি মরণের সাথে সাথে বেহেশতে প্রবেশ করবে। (তাফসিরে দুররে মনসুর ২য় জিল্দ ৪১২ পৃষ্ঠা)
হযরত ইমরান বিন হাসিন রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, যে ব্যক্তি সূরায়ে ফাতেহা এবং আয়াতুল কুরসি কোন ঘরে পাঠ করবে সেঘরে বসবাসকারী লোকজন ঐ দিন জ্বিন-ইনসানের বদনজর থেকে নিরাপদে থাকবে। (কানজুম উম্মাল ১ম জিল্দ ১৪০ পৃষ্ঠা)
ফজর ও আসরের নামাযের পর বিশেষ অজিফা
নিম্নের দোয়া প্রতিদিন ফজর ও আসরের নামাযের পর ১১ বার পাঠ করবেন। পাঠ করার পূর্বে ও পরে ১১ বার করে দরূদশরীফ পড়বেন-
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﻧﻰ ﺍﻋﻮﺫﺑﻚ ﻣﻦ ﺍﻟﻬﻢ ﻭﺍﻟﺤﺰﻥ ﻭﺍﻋﻮﺫﺑﻚ ﻣﻦ ﺍﻟﻌﺠﺰ ﻭﺍﻟﻜﺴﻞ ﻭﺍﻋﻮﺫﺑﻚ ﻣﻦ ﺍﻟﺠﺒﻦ ﻭﺍﻟﺒﺨﻞ ﻭﺍﻋﻮﺫﺑﻚ ﻣﻦ ﻏﻠﺒﺔ ﺍﻟﺪﻳﻦ ﻭﻗﻬﺮﺍﻟﺮﺟﺎﻝ . ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﻛﻔﻨﻰ ﻛﻞ ﻣﻬﻢ ﺣﻴﺚ ﺷﺌﺖ ﻭﻣﻦ ﺍﻳﻦ ﺷﺌﺖ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﺪﻳﻨﻰ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﺪﻧﻴﺎﻯ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻤﺎ ﺍﻫﻤﻨﻰ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻤﻦ ﺑﻐﻰ ﻋﻠﻰ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻟﻤﻦ ﺣﺴﺪﻧﻰ ﺣﺴﺒﻯﺎﻟﻠﻪ ﻟﻤﻦ ﻛﺎﺩﻧﻰ ﺑﺴﻮﺀ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﻤﻮﺕ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻨﺪ ﺍﻟﻤﺴﺌﻠﺔ ﻓﻰ ﺍﻟﻘﺒﺮ ﺣﺴﺒﻰ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺬﻯ ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﻫﻮ ﻋﻠﻴﻪ ﺗﻮﻛﻠﺖ ﻭﻫﻮ ﺭﺏ ﺍﻟﻌﺮﺵ ﺍﻟﻌﻈﻴﻢ
উচ্চরণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউজুবিকা মিনাল হাম্মে ওয়াল হুজনে ওয়া আউজুবিকা মিনাল ইজজে ওয়াল কাছলে ওয়া আউজুবিকা মিনাল বোখলে ওয়া আউজুবিকা মিন গালাবাতিদ দাইনে ওয়া কাহরির রিজালে আল্লাহুম্মাকফিনী কুল্লা মুহিম্মিন মিনহাইছু শি’তা ওয়ামিন আইনা শি’তা হাসবিয়াল্লাহু লি দ্বীনি হাসবিয়াল্লাহু লি দুনইয়ায়া হাসবিয়াল্লাহু লিমা আহাম্মানী হাসবিয়াল্লাহু লিমান বাগিয়া আলাইয়া হাসবিয়াল্লাহু লিমান হাসাদানী হাসবিয়াল্লাহু লিমান কাদানী বিসুইন হাসবিয়াল্লাহু ইনদাল মাউতি হাসবিয়াল্লাহু ইনদাল মাসআলাতি ফিল কাবরি হাসবিয়াল্লাহুল্লাজী লা ইলাহা ইল্লা হুয়া আলাইহি তাওক্কালতু ওয়া হুয়া রাব্বুল আরশিল আজীম।
উপকারিতা
১। সর্বপ্রকার বিপদ ও পেরেশানি (অশান্তি) দূর হবে।
২। ঈমান সালামত (অক্ষুন্ন অবস্থায়) থাকবে।
৩। আল্লাহতা’য়ালা সর্বত্র সাহায্য করবেন।
৪। শত্রু ধবংস হবে।
৫। হিংসুক (হাসদ) তার আগুনে জ্বলবে।
৬। সাকরাতে মউতের কষ্ট (আজাব) লাঘব হবে।
৭। কবরে শান্তি মিলবে।
৮। ওজনে নেকীর পাল্লা ভারী হবে।
৯। পাহার পরিমাণ কর্জ (ধার) থাকলেও তাহা খোদার মর্জিতে পরিশোধ হবে।
তবে কর্জ বা ঋণ আদায় করার নিয়ত থাকতে হবে।
ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর বিশেষ অজিফা
১। যে ব্যক্তি সকাল বিকাল এই দোয়া তিনবার পাঠ করবে আল্লাহতা’য়ালা তাকে সব রকমের বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করবেন। (মিশকাতশরীফ ২০৯ পৃষ্ঠা)
ﺑﺴﻢ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺬﻯ ﻻﻳﻀﺮ ﻣﻊ ﺍﺳﻤﻪ ﺷﺊ ﻓﻰ ﺍﻻﺭﺽ ﻭﻻﻓﻰ ﺍﻟﺴﻤﺎﺀ ﻭﻫﻮ ﺍﻟﺴﻤﻴﻊ ﺍﻟﻌﻠﻴﻢ
২। যে ব্যক্তি সকালে এই দোয়া পাঠ করবে একটি গোলাম আযাদ করার সওয়াব পাবে, দশটি নেকি পাবে, দশটি গোনাহ মাফ হবে এবং আখেরাতে দশটি দরজা বুলন্দ হবে। বিকেলে পাঠ করলে তদ্রুপই ফল পাবে। (মিশকাতশরীফ- ২১০)
ﻻﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺣﺪﻩ ﻻﺷﺮﻳﻚ ﻟﻪ ﻟﻪ ﺍﻟﻤﻠﻚ ﻭﻟﻪ ﺍﻟﺤﻤﺪ ﻭﻫﻮ ﻋﻠﻰ ﻛﻞ ﺷﺊ ﻗﺪﻳﺮ
৩। যে ব্যক্তি ফজর ও মাগরিবের নামাযের পর কথাবার্তা না বলে এই দোয়া ৭ বার পাঠ করবে সে ঐ রাতে বা দিনে যদি মারা যায় তবে দোযখ হতে নাজাত পাবে। (মিশকাতশরীফ- ২১০)
ﺍﻟﻠﻬﻢ ﺍﺟﺮﻧﻰ ﻣﻦ ﺍﻟﻨﺎﺭ
৪। আল্লামা জালালউদ্দিন সুয়ুতী রাদিয়াল্লাহু আনহু আল হাবী লিল ফাতাওয়া নামক কিতাবে আম্বাউল আযকিয়া ফি হায়াতিল আম্বিয়া অধ্যায়ে একখানা হাদীসশরীফ উল্লেখ করেছেন। যে ব্যক্তি সকালে সূরায়ে হাশরের শেষের তিনখানা আয়াত একবার পাঠ করবে তার জন্য ৭০ হাজার ফেরেশতা নিয়োগ করা। হবে যারা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার গোনাহ মাফ চাইতে থাকবে। আর ঐ দিন সে যদি মারা যায় তবে শহীদের দরজা লাভ করবে। সন্ধ্যা বেলা পাঠ করলেও তদ্রুপ ফল পাবে।
আমল করার নিয়ম নিম্নরূপ
প্রথমে ৩ বার পাঠ করবেন-
ﺍﻋﻮﺫ ﺑﺎﻟﻠﻪ ﺍﻟﺴﻤﻴﻊ ﺍﻟﻌﻠﻴﻢ ﻣﻦ ﺍﻟﺸﻴﻄﺎﻥ ﺍﻟﺮﺟﻴﻢ
অতঃপর ১বার পাঠ করবেন-
ﻫﻮﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺬﻯ ﻻﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﻫﻮ . ﻋﻠﻢ ﺍﻟﻐﻴﺐ ﻭﺍﻟﺸﻬﺎﺩﺓ ﻫﻮﺍﻟﺮﺣﻤﻦ ﺍﻟﺮﺣﻴﻢ . ﻫﻮﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺬﻯ ﻻﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﻫﻮ . ﺍﻟﻤﻠﻚ ﺍﻟﻘﺪﻭﺱ ﺍﻟﺴﻠﻢ ﺍﻟﻤﺆﻣﻦ ﺍﻟﻤﻬﻴﻤﻦ ﺍﻟﻌﺰﻳﺰﺍﻟﺠﺒﺎﺭ ﺍﻟﻤﺘﻜﺒﺮ . ﺳﺒﺤﻦ ﺍﻟﻠﻪ ﻋﻤﺎ ﻳﺸﺮﻛﻮﻥ . ﻫﻮ ﺍﻟﻠﻪ ﺍﻟﺨﺎﻟﻖ ﺍﻟﺒﺎﺭﺉ ﺍﻟﻤﺼﻮﺭﻟﻪ ﺍﻻﺳﻤﺎﺀ ﺍﻟﺤﺴﻨﻰ . ﻳﺴﺒﺢ ﻟﻪ ﻣﺎ ﻓﻰ ﺍﻟﺴﻤﻮﺍﺕ ﻭﺍﻻﺭﺽ . ﻭﻫﻮ ﺍﻟﻌﺰﻳﺰ ﺍﻟﺤﻜﻴﻢ .
অল্প সময়ে ৪০ লক্ষ্য নেকি অর্জন করুন
তিরমিজীশরীফের দ্বিতীয় জিলদের ১৮৫ পৃষ্ঠায় হযরত তামিমে দারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত-
রাসূলেপাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আলিশান ফরমান হচ্ছে-
যে ব্যক্তি নিম্নের কালিমা তাইয়িবা দশবার পাঠ করবে, তার আমলনামায় আল্লাহপাক ৪০ লক্ষ্য নেকি দান করবেন। (হাদীসখানা মুনকার হলেও আমলের জন্য প্রযোজ্য হবে)
ﺍﺷﻬﺪ ﺍﻥ ﻻ ﺍﻟﻪ ﺍﻻ ﺍﻟﻠﻪ ﻭﺣﺪﻩ ﻻﺷﺮﻳﻚ ﻟﻪ ﺍﻟﻬﺎ ﻭﺍﺣﺪﺍ ﺍﺣﺪﺍ ﺻﻤﺪﺍ ﻟﻢ ﻳﺘﺨﺬ ﺻﺎﺣﺒﺔ ﻭﻻ ﻭﻟﺪﺍ ﻭﻟﻢ ﻳﻜﻦ ﻟﻪ ﻛﻔﻮﺍ ﺍﺣﺪﺍ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here