বিষয়-ইতিকাফ কোন মসজিদে করবে?

0
5
views

ইতিকাফ কোন মসজিদে করবে?

ইতিকাফের জন্য সমস্ত মসজিদ থেকে মসজিদুল হারাম শরীফ উত্তম। তারপর মসজিদে নববী শরীফ তারপর মসজিদে আকসা শরীফ (বায়তুল মুকাদ্দাস) তারপর এমন জামে মসজিদে, যাতে পাঁচ ওয়াক্তের নামায জামাআত সহকারে হয়ে থাকে। যদি জামে মসজিদে জামাআত না হয়, তাহলে নিজ মহল্লার মসজিদে ইতিকাফ করা উত্তম। (ফতহূল কদীর, ২য় খন্ড, ৩০৮ পৃষ্ঠা) ইতিকাফের জন্য জামে মসজিদ হওয়া শর্ত নয় বরং ‘মসজিদে জামাআতেও ইতিকাফ হবে। মসজিদে জামা’আত হচ্ছে ঐ মসজিদ, যাতে ইমাম ও মুআজ্জিন নিয়োজিত আছেন। যদিও তাতে পঞ্জেগানা নামায হয়না। আর সহজ হচ্ছে, নিঃশর্তভাবে প্রতিটি মসজিদে ইতিকাফ বিশুদ্ধ, যদিও মসজিদে জামাআত না হয়। (রদ্দুল মুহতার, ৩য় খন্ড, ৪২৯ পৃষ্ঠা) সচরাচর বর্তমানে কিছু মসজিদ এমনও আছে যেখানে না ইমাম আছে

না মুআজ্জিন (বাহারে শরীয়াত, ৫ম খন্ড, ১৫১ পৃষ্ঠা)

ইকিতাফকারী ও মসজিদের প্রতি সম্মান

ইতিকাফকারী যেহেতু আপনাকে দশদিন মসজিদেই থাকতে হবে, সেহেতু মসজিদের সম্মান সম্পর্কিত কয়েকটা কথাও জেনে নেয়া দরকার। ইতিকাফ পালনকালে প্রয়োজনে পার্থিব কথা | বলার অনুমতি আছে, কিন্তু যথাসম্ভব নিম্নস্বরে ও মসজিদের সম্মানের প্রতি | | খেয়াল রেখে কথা বলুন। এমন যেন না হয়, আপনি চিৎকার করে কোন ইসলামী ভাইকে ডাকছেন, আর সেও চিৎকার করে আপনাকে জবাব দিচ্ছে, ‘তুই-তুকারি’ ও শোরগোলে মসজিদ গর্জে উঠছে। এমন আচরন নাজায়েয ও গুনাহ। মনে রাখবেন বিনা প্রয়োজনে মসজিদে দুনিয়াবী | কথাবার্তা বলা ইতিকাফকারীর জন্যও অনুমিত নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here