বিষয়-ইলম সম্পর্কে প্রিয় নবী ﷺএর ১৪টি বাণী

0
14
views

ইলম সম্পর্কে প্রিয় নবী (ﷺ) এর ১৪টি বাণী

(১) “ যে ব্যক্তি ইলমে দ্বীন অর্জনের জন্য কোন রাস্তা দিয়ে চলে, আল্লাহ তায়ালা তার জন্য জান্নাতের রাস্তা সহজ করে দেন। ”
(মুসলিম: ১৪৪৭ পৃষ্ঠা, হাদীস: ২৬৯৯)

(২) “ যে ব্যক্তি ইলম (জ্ঞান) অর্জনের জন্য ঘর থেকে বের হলাে, তবে যতক্ষন পর্যন্ত ফিরে আসবেনা আল্লাহ তায়ালার পথেই থাকে। ”
(তিরমিযী: ৪/২৯৪, হাদিস: ২৪৫২)

(৩) “ আল্লাহ তায়ালা যার কল্যাণ কামনা করেন, তাকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন। ”
(মারজিউস সাবিকঃ হাদীস/২৬৫৪ )

(৪) “ রাতের একটি মুহুর্ত পড়া, এবং পড়ানাে সারা রাত ইবাদত করার চেয়ে উত্তম। ”
(সুনানে দারেমীঃ ১/১৫৭, হাদীস /৬১৪)

(৫) “ মু’মিন কখনােই কল্যাণ (অর্থাৎ জ্ঞান) দ্বারা পরিপূর্ণ হয় না, তা শুনতে অর্থাৎ অর্জন করতেই থাকে, এমনকি জান্নাতে পৌছে যায়। ”
(তিরমিযী, ৪/৩১৪, হাদীস নং- ২৬৯৫)

(৬) “ ইলমকে অধিকহারে প্রসার করাে এবং মানুষের নিকট বসাে, যেনাে অজ্ঞরাও জ্ঞানার্জন করে, কেননা যতক্ষন জ্ঞানকে গােপন করা হবে না, (ততক্ষণ) জ্ঞান উঠিয়ে নেয়া হবে না। ”
(বুখারী: কিতাবুল ইলম, ১/৫৪)

(৭) “যে ব্যক্তি ইলম (জ্ঞান) অন্বেষণ করে, অতঃপর তা অর্জন করতে সফল হয়ে যায়, তবে তার জন্য দুই গুন প্রতিদান। যদি অর্জন করতে না পারে, তবে একটি প্রতিদান। ”
(দারেমীঃ হাদীস/৩৩৫)

(৮) “ যার মৃত্যু এই অবস্থায় আসে যে, সে ইসলামকে জীবিত করার জন্য ইলম অর্জণ করছে, তবে জান্নাতে তার এবং আম্বিয়ায়ে কিরাম (عليه الصلوة والسلام) এর মাঝে একটি স্তরের পার্থক্য থাকবে। ”
(দারেমীঃ হাদীস/ ৩৫৪)

(৯) “ তােমরা কি জান? বড় দানশীল কে? আরয করা হলাে, “ আল্লাহ তায়ালা এবং তাঁর রাসূল (ﷺ) অধিক জানেন। ” ইরশাদ করলেন “আল্লাহ তায়ালাই বড় দাতা, অতঃপর আদম সন্তানদের মধ্যে আমিই বড় দানশীল এবং আমার পর ঐ ব্যক্তিই বড় দানশীল, যে ইলম শিখে এবং তা প্রসার করে, তারা কিয়ামতের দিন দলবদ্ধ ভাবে আসবে। ”
(শুয়াবুল ঈমান লিল বায়হাক্বীঃ হাদীস/ ১৭৬৭)

(১০) “ যে ব্যক্তি ইলম অন্বেষণে থাকে , আল্লাহ তায়ালা তার রিযিকের জামিনদার। ”
(তারিখে বাগদাদঃহাদীসঃ ১৫৩৫ )

(১১)“ অল্প ইলম অধিক ইবাদতের চেয়ে উত্তম।”
(আত তারগীব ওয়াত তারহীবঃ হাদীস/৫)

(১২) “ ইলম অন্বেষণকারীর এই অবস্থায় মৃত্যু হলাে যে, সে ইলম অন্বেষণে ব্যস্ত, তবে সে শহীদ। ”
(জামে বয়ানুল ইলমি ওয়া ফালাহঃ ৬৪ পৃষ্ঠা, হাদীস: ১৯৪)

(১৩) “ উত্তম সদকা এটাই যে, কোন মুসলমান ব্যক্তি ইলম অর্জন করে, অতঃপর আপন মুসলমান ভাইকেও শিক্ষা দেয়। ”
(ইবনে মাজাহঃ হাদীস/২৪৩)

(১৪) “ আল্লাহ তায়ালার প্রিয় হাবীব (ﷺ) এক সাহাবীর সাথে আলাপচারীতায় লিপ্ত ছিলেন, এমন সময় ওহী অবতীর্ণ হলাে সেই সাহাবীর জীবনের আর একটি মুহূর্ত (অর্থাৎ ঘন্টা খানেক) বাকী আছে। এটা আসরের সময় ছিলাে, প্রিয় নবী (ﷺ) যখন এই কথা ঐ সাহাবীকে জানানাে হলাে, তখন তিনি বিচলিত হয়ে আরয করলেন: “ ইয়া রাসূলাল্লাহ (ﷺ) আমাকে এমন কোন আমলের কথা বলুন, যা এই সময় আমার জন্য সবচেয়ে উত্তম। ” তখন হুযুর (ﷺ) ইরশাদ করলেন: “ ইলম অর্জনে ব্যস্ত হয়ে যাও। ” সুতরাং সেই সাহাবী ইলম অর্জনে লিপ্ত হয়ে গেলেন এবং মাগরিবের পূর্বেই তার ইন্তিকাল হয়ে গেলাে। বর্ণনাকারী বলেন যে, যদি ইলম হতে উত্তম কোন জিনিস থাকতাে, তবে প্রিয় নবী (ﷺ) তারই নির্দেশ দিতেন। ”
(তাফসীরে কবীর, ১ম পারা, সুরা বাক্বারা, ৩০ নং আয়াতের পাদটিকা, ১৪১০)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here