বিষয়-গীবত সম্পর্কে বাণী

0
7
views

গীবত সম্পর্কে বাণী

এক ব্যক্তি হযরত সায়্যিদুনা হাসান বসরী (رحمة الله عليه) কে বললােঃ “ আমি জানতে পেরেছি যে, আপনি আমার গীবত করেন! ” তিনি বললেনঃ “ আমার কাছে তােমার গুরুত্ব এতাে বেশি নয় যে, আমি আমার নেকী সমূহ তােমাকে সমর্পণ করে দিবাে।”(ইহইয়াউল উলুম, ৩/১৮৩)

যা নিজের জন্য পছন্দ করবে তা অন্যের জন্য বলবে।হযরত সায়্যিদুনা সুফিয়ান ছাওরী (رحمة الله عليه) বলেনঃ “ আপন ভাইয়ের অবর্তমানে তার আলােচনা সেভাবেই করাে যেভাবে নিজের অবর্তমানে তুমি তােমার আলােচনা হওয়াটা পছন্দ করবে।”(তাম্বিহুল মুতাররিন, ১৯২ পৃষ্ঠা)

অমুক আমার গীবত করেছে। একথা শুনে রাগান্বিত হবেন না।হযরত সায়্যিদুনা শায়খ আব্দুল ওয়াহাব শা’রানী (رحمة الله عليه) বলেনঃ “ নিজের গীবতকারীর উপর রাগ করা উচিত নয়, তাকে তাে তােমার ভালবাসা উচিৎ, কেননা তার গীবত করার কারণে তােমার সওয়াব অর্জন হচ্ছে। যদিও সে এ বিষয়ের নিয়্যত করেনি। তিনি আরাে বলেনঃ যে ব্যক্তি ঐ ব্যক্তির প্রতি রাগ করে, যার নেকী নিজের কাছে চলে আসছে, সে বােকা। অবশ্য কোন শরীয়ত সম্মত কারণে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করা বিশুদ্ধ। ”(তাঘিহুল মুগতাররিন, ১৯৩ পৃষ্ঠা)গীবত যেনাে নেকী নিক্ষেপের মেশিন।হযরত সায়্যিদুনা ফুযাইল বিন আয়ায (رحمة الله عليه) বলেনঃ “ গীবতকারীর উদাহরন ঐ ব্যক্তির ন্যায়, যে মিনজানিক ( অর্থাৎ পাথর নিক্ষেপের হাতে চালানাে পুরােনাে দিনের একটি মেশিন) এর সাহায্যে নিজের নেকীসমূহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে নিক্ষেপ করছে। ”(তাম্বিহুল মুগতাররিন, ১৯৩ পৃষ্ঠা)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here