বিষয়-নামাযের ওয়াজিবসমূহঃ

0
5
views

নামাযের ওয়াজিবসমূহঃ

১)তকবীর তাহরীমায় ‘আল্লাহু আকবর’ বলা।

২)পুরা আলহামদু শরীফ পড়া।

৩)সূরা বা আয়াত মিলানো।

৪)ফরয নামাযে প্রথম দুরাকাতে কিরাত পড়া।

৫) আলহামদু ও এর সাথে অন্য সূরা বা আয়াত মিলানো (ফরযের দুরাকাতে এবং নফল, বিতর ও সুন্নাতের প্রত্যেক রাকাতে কিরাত ওয়াজিব।৫(আলহামদু ও সূরার মাঝখানে বিসমিল্লাহ ও আমীন ব্যতীত অন্য কিছু না পড়া কিরাত শেষ করার সাথে সাথেই রুকু করা।

৬)প্রথম সাজদার পর দ্বিতীয় সাজদা হওয়া যেন দু সাজদার মাঝখানে অন্য কোন রোকন আসতে না পারে।

৭) তাদিলে আরকান অর্থাৎ রুকু সাজদা, কাউমা, জলসায় কমপক্ষে একবার সুবহানাল্লাহ বলার বরাবর অপেক্ষা করা।কাউমা অর্থাৎ রুকু থেকে সোজা দাঁড়িয়ে যাওয়া।

৮)সাজদায় উভয় পায়ের তিন তিন আঙ্গুলের পেট নামাযের জায়গায় লেগে থাকা। জলসা অর্থাৎ দু সিজদার মাঝখানে সোজা হয়ে বসা।

৯) প্রথম বৈঠক, যদিওবা নফল নামাযের হয়ে থাকে।

১০)ফরয, বিতর ও সুন্নাত নামাযের প্রথম বৈঠকে তাশাহুদের পর কিছু না পড়া।

১১)উভয় বৈঠকে পূর্ণ তাশাহুদ পড়া, অনুরূপ যত বৈঠক করতে হয়, প্রত্যেক বৈঠকে পূর্ণ তাশাহুদ পড়া ওযাজিব। যদি এর একটি শব্দও বাদ পড়ে, তাহলে ওয়াজিব তরক হিসেবে গণ্য হবে।

১২) উভয় সালামে কেবল ‘আস-সালাম’ বলা ওয়াজিব। ‘আলাইকুম ওয়ারহমতুল্লাহ্’ বলা ওয়াজিব নয়।

১৩) বিতরে দুআয়ে কুনুতপড়া।

১৪)কুনুতের জন্য তকবীর বলা।

১৫)দুই ঈদের ছয় তকবীর, দুই ঈদে দ্বিতীয় রাকাতের রুকুর তকবীর এবং সেই তকবীরের জন্য ‘আল্লাহু আকবর’ বলা।

১৬)উচ্চস্বরের নামাযে ইমামের উচ্চস্বরে কিরাত পড়া এবং নিম্নশ্বরের নামাযে নিম্নস্বরে কিরাত পড়া।

১৭) প্রত্যেক ফরয ও ওয়াজিব যথাস্থানে আদায় করা।

১৮) প্রত্যেক রাকাতে রুকু একবার ও সাজদা দুবার হওয়া,দ্বিতীয় রাকাতের আগে বৈঠক না করা।

১৯)আয়াতে সাজদা পড়লে তেলাওয়াতে সাজদা দেয়া।

২০) সহু হলে সাজদায়ে সহু দেয়া।

২১)দুফরয বা ওয়াজিব অথবা ওয়াজিব ও ফরযের মাঝখানে তিনবার সুবহানাল্লাহ বলার বরাবর দেরী না হওয়া।

২২) ইমাম যখন কিরাত পড়ে, উচ্চস্বরে হোক বা নিম্নস্বরে, সেই সময় মুক্তাদীর নিশ্চুপ থাকা। ২৪)কিরাত ব্যতীত সমস্ত ওয়াজিবে ইমামের অনুসরণ করা, ফরয ও ওয়াজিবসমূহ ব্যতীত যেসব বিষয় নামাযের নিয়মে বর্ণিত হয়েছে, সেগুলো সুন্নাত হোক বা মুস্তাহাব,তা যেন ইচ্ছাকৃতভাবে বাদ না দেয়। তবে যদি ভুলবশতঃ বাদ পড়ে যায়, সাজদায়ে সহু বা নামায পুণরায় পড়ার প্রয়োজন নেই। যদি পুণরায় পড়া হয়, তাহলে উত্তম। সুন্নাত ও মুস্তাহাবসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাইলে, বাহারে শরীয়ত, ফতওয়ায়ে রেজবীয়া দেখুন। সংক্ষিপ্ত করার উদ্দেশ্যে এবং মুখস্থ করার সুবিধার্থে এখানে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়নি।বাহারে শারিয়াত তৃতীয় খন্ড ৪০ পৃষ্ঠা ও কানুনে শারিয়াত প্রথম খন্ড ৯৩পৃষ্ঠা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here