বিষয়-বিতির নামাযের ১৩টি মাদানী ফুল মাসয়ালা ও নিয়মাবলি

0
6
views

(১) বিতরের নামায ওয়াজীব। (আল বাহরুর রাইক, ২য় খন্ড, ৬৬ পৃষ্ঠা)

(২) যদি এটা ছুটে যায় তবে এর কাযা আদায় করা আবশ্যক। (দুররে মুখতার, রদ্দুল মুহতার, ২য় খন্ড, ৫৩২ পৃষ্ঠা)

(৩) বিতরের নামাযের সময়সীমা ইশার নামাযের পর থেকে সুবহে সাদিক পর্যন্ত। (তাহতাবীর পাদটিক সম্বলিত মারাকিউল ফালাহ, ১৭৮ পৃষ্ঠা)

(৪) যে ব্যক্তি ঘুম থেকে উঠতে সক্ষম তার জন্য উত্তম হচ্ছে, রাতের শেষ ভাগে উঠে প্রথমে তাহাজ্জুদের নামায আদায় করা এরপর বিতরের নামায আদায় করা। (গুনিয়াতুল মুসতামলা, ৪০৩ পৃষ্ঠা)

(৫) বিতর নামায তিন রাকাত। (তাহতাবীর পাদটিক সম্বলিত মারাকিউল ফালাহ, ৩৭৫ পৃষ্ঠা) (৬) এতে কা’দায়ে ঊলা ওয়াজীব। কাদায়ে ঊলা করার পর শুধু তাশাহহুদ পড়ে দাঁড়িয়ে যাবেন। (৭) তৃতীয় রাকাতে কিরাতের পর কুনূতের তাকবীর বলা ওয়াজীব। (রদ্দুল মুহতার সম্বলিত দুররে মুখতার, ২য় খন্ড, ৫৩৩ পৃষ্ঠা)

(৮) যেভাবে তাকবীরে তাহরীমা বলা হয়, সেভাবেই প্রথমে হাত কান পর্যন্ত উঠাবেন, অতঃপর اَللهُ اَكْبَرُ বলবেন (তাহতাবীর পাদটিকা, ৩৭৬ পৃষ্ঠা)

(৯) তারপর হাত বেঁধে দোয়ায়ে কুনূত পাঠ করবেন: اَللّٰهُمَّ اِنَّا نَسْتَعِيْنُكَ وَ نَسْتَغْفِرُكَ وَ نُؤْ مِنُ بِكَ وَنَتَوَ كَّلُ عَلَيْكَ وَ نُثْنِىْ عَلَيْكَ الْخَيْرَ وَ نَشْكُرُكَ وَلَا نَكْفُرُكَ وَ نَخْلَعُ وَ نَتْرُكُ مَنْ يَّفْجُرُكَ ط اَللّٰهُمَّ اِيَّاكَ نَعْبُدُ وَ لَكَ نُصَلِّىْ وَ نَسْجُدُ وَ اِلَيْكَ نَسْعٰى وَ نَحْفِدُ وَ نَرْجُوْا رَحْمَتَكَ وَنَخْشٰى عَذَا بَكَ اِنَّ عَذَا بَكَ بِالْكُفَّارِ مُلْحِقٌ طঅনুবাদ: হে আল্লাহ! আমরা তোমার নিকট সাহায্য চাই এবং তোমার নিকট ক্ষমা চাই এবং তোমার উপর ঈমান রাখি। আর তোমার উপর ভরসা রাখি এবং তোমার খুবই উত্তম প্রশংসা করি এবং তোমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি এবং তোমার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিনা এবং আলাদা রাখি ও প্রত্যাখ্যান করি ঐ ব্যক্তিকে, যে তোমার নির্দেশ অমান্য করে। হে আল্লাহ! আমরা তোমারই ইবাদত করি এবং তোমারই জন্য নামায পড়ি, সিজদা করি এবং একমাত্র তোমার প্রতিই দৌড়ে আসি এবং খিদমতের জন্য হাজির হই এবং তোমার রহমতের আশাবাদী এবং তোমার শাস্তিকে ভয় করি। নিশ্চয়ই তোমার শাস্তি শুধু কাফিরদের জন্য রয়েছে।

(১০) দোয়ায়ে কুনুতের পর দরূদ শরীফ পড়া উত্তম। (গুনিয়াতুল মুসতামলা, ৪০২ পৃষ্ঠা)

(১১) যারা দোয়ায়ে কুনূত পড়তে পারে না, তারা এটা পড়বে:اَللّٰهُمَّ رَبَّنَاۤ اٰتِنَا فِـى الدُّنْيَا حَسَنَةً وَّ فِـى الْاٰ خِرَةِ حَسَنَةً وَّ قِنَا عَذَابَ النَّارِঅনুবাদ: হে আল্লাহ্! হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদেরকে দুনিয়ার কল্যাণ দান করো এবং আখিরাতের কল্যাণ দান করো। আর আমাদেরকে দোযখের আযাব থেকে রক্ষা করো।অথবা এটা পড়ুন اَللّٰهُمَّ اغْفِرْلِى অর্থাৎ-হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করে দাও। (তাহতাবীর পাদটিকা সম্বলিত মারাকিউল ফালাহ, ৩৮৫ পৃষ্ঠা)

(১২) যদি দোয়ায়ে কুনূত পড়তে ভুলে যান ও রুকূতে চলে যান তবে পুনরায় ফিরে আসবেন না বরং সিজদায়ে সাহু করে নিবেন। (আলমগিরী, ১ম খন্ড, ১১০ পৃষ্ঠা)

(১৩) বিতর নামায জামাআতের সাথে আদায় করার সময় (যেমন-রমজানুল মোবারকে পড়া হয়) যদি মুক্তাদীর কুনূত পড়া শেষ হয়নি এমতাবস্থায় ইমাম রুকূতে চলে গেলে মুক্তাদীও রুকূতে চলে যাবে। (আলমগিরী, ১ম খন্ড, ১১০ পৃষ্ঠা। তাবঈনুল হাকাইক, ১ম খন্ড, ১৭১ পৃষ্ঠা)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here