বিষয়ঃঃ- না’রায়ে তাকবীর ও না’রায়ে রিসা-লাত বলা জায়েজ

0
28
views

না’রায়ে তাকবীর ও না’রায়ে রিসা-লাত
বলা জায়েজ
প্রশ্নঃ-মিলাদ অনুষ্ঠানে, জালসাই, মিছিলে আর যে কোন ধর্মীয়
অনুষ্ঠানে যে, মুসলমান না’রায়ে রিসা-লাত অতি উচ্চসার বলে, তার
সাপেক্ষে কোন দলীল দিন।
উত্তরঃ-কয়েকটি বর্ণনা আছে যার দ্বারা বুঝা যাচ্ছে যে,
রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহ তা’আলা আলাইহি অ সাল্লাম আর স্বাহাবায়ে কেরাম
না’রা লাগিয়েছেন-যার সমর্থনে এই হাদীষটি পড়ুন।বুখারী শরীফ, ১ম
খন্ড, পৃষ্ঠা নং ৩৩৮ কিতাবুশ শিরকাত খাবারে শরীক করার বর্ণনাহাদীষ।
নং ২৪৮৪। হাজরাত সালমা রাদিয়াল্লাহ তা’আলা আনহা, বর্ণনা করেন।
যে, একদা মানুষের (স্বাহাবায়ে কেরামের) পাথেয় শেষ হয়ে গিয়েছিলো
আর তারা খাবারের জন্য ছটপট করছিলেন, এমন অবস্থাই স্বাহাবায়ে
কেরাম, রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহ তা’আলা আলাইহি অ সাল্লামের নিকটে
উপস্থিত হলেন আর নিজেদের উট জবেহ করার জন্য । অনুমতি চাইলেন,
হুজুর তিনাদেরকে উট জবেহ করে খাওয়ার অনুমতি প্রদান করলেন।
হাজরাত উমার রাষ্ট্রীয়াল্লাহ তা’আলা আনহঁর সাক্ষাত স্বাহাবায়ে কেরামের
সাথে হলে, স্বাহাবায়ে কেরাম | সমস্ত ঘটনা হাজরাত উমরকে বিস্তারিত
ভাবে গুনালেন, হাজরাত উমার সবিস্তারে ঘটনা গুনার পর বললেন, উট
জবেহ করে উট যখন শেষ হয়ে যাবে তার পর কী খাবে। অতঃপর
হাজরাত উমর হুজুরের নিকট উপস্থিত হলেন এবং বললেন, ইয়া
রাসুলাল্লাহ। মানুষ উট জবেহ করে খেয়ে যখন উট শেষ হয়ে যাবে,
তখন কী খাবে? ইহা শুনে হুজুর বললেন। স্বাহাবায়ে কেরামকে বলে।
দাও, যার কাছে যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তারা যেন সেই আবশিষ্ঠ খাবার
নিয়ে আসে। অতঃপর একটি দস্তর খানা পেতে দিয়ে সেই দস্তর খানায়,
যার কাছে যা কিছু ছিলো, এনে রেখে দিলো।
فقامَ رسولُ اللّٰهِ صلی اللّٰهُ عليهِ وسلّمَ فدعاَ وبركَ عليهِ
উচ্চারণঃ-ফা কামা রাসুলুল্লাহি স্বাল্লাল্লাহু আলাইহি
অ সালামা ফা দা’য়া অ বারাকা আলাইহি।
অর্থঃ-অতঃপর রাসুলুল্লাহ স্বাল্লাল্লাহ তাআলা আলাইহি ওয়া সাল্লাম দুয়ার জন্য দাঁড়িয়ে গেলেন এবং সেই খাবারে বরকতের জন্য দুয়া
করলেন। পরে স্বাহাবায়ে কেরামকে নিজ নিজ বাসন নিয়ে ডাকা হলো
স্বাহাবায়ে কেরাম এসে নিজ নিজ পাত্র ভর্তি করে নিলেন, যখন সকলের
নেওয়া শেষ হলো তখন হুজুর বললেন।
اشهدُ اَنۡ لآّ الٰهَ الاَّاللّٰهُ وَ انّيِ رسول اللّٰه

উচ্চারণঃ- আশহাদু আল লাইলাহা ইল্লাল্লাহু অ আন্নী
রাসূলুল্লাহি।
“অর্থঃ- আমি সাক্ষী দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কেউ উপায্য নাই
আর নিশ্চয় আমি আল্লাহর রাসুল।
উপকারঃ-ইহা মনে করিয়েন না যে, দাবী অনুযায়ী না’ রায়ে
তাকবীর ওনা’রায়ে রেসালাত বলা এই হাদী দ্বারা কোথায় প্রমানীত হলো?
ইহা এই রুপ যে, যেমন হাদীযের ভাযা এবং তার তার্থ দ্বারা না’রায়ে
তাকবীর ও নারায়ে রেসালাত ব্যক্ত হচ্ছে, আর রাসুললাহ স্বাল্লাল্লাহ
তা’আলা আলাইহি অ সাল্লাম খুশী ও আনন্দের সময় আল্লাহ তা’আলার
নাম বিভিন্নভাবে নিয়েছেন এমনই না’রায়ে তাকবীর ওনা’রায়ে রেসালাত
দ্বারা ও আল্লাহ ও তিনার রাসুলের নাম নেওয়া হচ্ছে আর মুসলমান
অ্যানন্দের সময় অথবা নিজের ঈমানী আবেগ ও শক্তি ব্যক্ত করার জন্য
এই না’রা লাগায় বিস্তারিত জানার জন্য নিচের বর্ণনা যথেষ্ট। বুখারী
শীৗক, ১ম খন্ড, পৃষ্ঠা নং ৪২০ কিতাবুল জিহাদ, তাসবীহ পাঠ করার
আয়ান যখন উপত্যকার নিচে নামবে, সুবহানাল্লাহ বলার বর্ণনাতাকবীর।
পাঠ করার বর্ণনা যখন উচুতে উঠবে, হাদীষ নং ২৯৯৩-২৯৯৪।

উচ্চারণঃ-আন জাবিরিনঃ কুন্না ইজা-সাঈদনা- ওয়া কাব্বারনা
ইযা- তাসাত্তয়াইনা- সাব্বাহনা।
অর্থঃ-হাজরাত জাবির রাদিয়াল্লাহ তা’আলা আনহু বর্ণনা করেন।
যে, আমরা যখন উচুতে উঠতাম তখন তাকবীর অর্থাৎ আল্লাহু আকবার
বলতাম, আর যখন নিচে নামতাম তখন তাসবীহ অর্থাৎ সুবহা নাল্লাহ
পাঠ করতাম।
ইতি মোহাম্মাদ সাদ্দাম হোসেন কালিমী

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here