বিষয়:- তাকবিরে তাশরীক ও তার ইতিহাস

0
83
views

বিষয়:- তাকবিরে তাশরীক ও তার ইতিহাস



জিলহজ মাসের ৯ তারিখের ফজরের নামাজ থেকে ১৩ তারিখের আসরের নামাজ পর্যন্ত সর্বমোট ২৩ ওয়াক্ত প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ,  মুকিম, মুসাফির, গ্রামবাসী, শহরবাসী, মুসলমান জামায়াতে  প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর প্রত্যেকের উপর একবার করে তাকবীরে তাশরিক পাঠ করা ওয়াজিব ও তিন বার পাঠ করা মোস্তাহাব তথা তাকবীরে তাশরিক পাঠ করতে হবে।

তাকবিরে তাশরিক হচ্ছে

-اللهُ اَكْبَرُ – اللهُ اَكْبَرُ، لَا اِلَهَ اِلَّااللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – اللهُ اَكْبَرُ وَللهِ الْحَمْدُ –

আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার

লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার,

আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।

তাকবীরে তাশরিকের ইতিহাসঃ

 হযরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম যখন আপন পুত্র ইসমাঈল কে কুরবানি করতে যান, তখন আল্লাহর নির্দেশে হযরত জিবরাইল  বেহেশত থেকে একটি দুম্বা নিয়ে রওয়ানা হন। হযরত জিবরাইল আকাশ থেকেই উচ্চস্বরে উচ্চারন করতে থাকেন – الله اكبر- الله اكبر । আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার  

হজরত ইবরাহিম আলাইহিস সালাম জিবরাইল  আলাইহিস সালাম এর আওয়াজ শুনে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখতে পান যে, ইসমাঈল আলাইহিস সালামের পরিবর্তে কুরবানির জন্য তিনি একটি দুম্বা নিয়ে আসছেন। তাই তিনি বলে উঠলেন -لا اله الاالله والله اكبر । লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার  

পিতার মুখে তাওহিদের এ অমূল্যবাণী শুনতে পেয়ে হযরত ইসমাঈল আলাইহিস সালাম মহান আল্লাহর মহাত্ম, মর্যাদা ও শান শওকতের উপর হামদ পেশ করে বললেন- الله اكبر ولله الحمد  আল্লাহু আকবার ওয়ালিল্লাহিল হামদ।  

এভাবেই মহান আল্লাহর একজন ফেরেশতা, একজন নবী ও একজন ভবিষ্যৎ নবীসহ এ তিন মহান ব্যক্তিত্বের খুশীর আবেগে উচ্চারিত এ আমলটুকু ও পবিত্র কালামগুলো আল্লাহর দরবারে এত বেশি কবুল হল যে, কিয়ামত পর্যন্ত ঈদুল আজহায় বিশ্ব মুসলিমের কন্ঠে কন্ঠে উচ্চারিত হতে থাকবে। যা বান্দার জন্য পাঠ করা ওয়াজিব।

-اللهُ اَكْبَرُ – اللهُ اَكْبَرُ، لَا اِلَهَ اِلَّااللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ – اللهُ اَكْبَرُ وَللهِ الْحَمْدُ –

“আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার,

লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার,

আল্লাহু আকবার, ওয়ালিল্লাহিল হামদ।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here